৫ নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার !! আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানার ভিতরে !! একজন অন্তঃসত্তা !! - SaraBela Net Media

Breaking

4G-1010-X-90
English বাংলা

Post Top Ad

Post Top Ad

4G-970-X-90

Friday, August 4, 2017

৫ নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার !! আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানার ভিতরে !! একজন অন্তঃসত্তা !!

ধর্ষক

আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানার ভিতরে ৫ নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার হয়েছে। কারখানাটিতে নারী শ্রমিকদের ধর্ষণের স্থান প্রোডাকশন ম্যানেজার (পিএম) চেম্বার।

এক কুমারী নারী শ্রমিক সাহস করে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করায় পরবর্তিতে আরো ৪ নারী ধর্ষণের কথা জানিয়ে একই অভিযোগ করেছে। এদিকে বিষয়টি নীরবে ধামাচাপা দিতে কারখানা কর্তৃপক্ষ সকল ধর্ষিতাদের ৮ দিনের ছুটি দিয়েছে এবং ধর্ষক পিএম কেও ছুটি দিয়েছে।
ধর্ষিতা কুমারী নারী জানায়,গত ২৮ জুলাই শুক্রবার আশুলিয়ার নরসিংহপুর, অন্বেষা স্টাইল-২ লিমিটেড নামক একটি সোয়েটার কারখানার কাজ করেন। কাজ শেষে ছুটির সময় হনুফা নামের তার এক সহ-কর্মী সহ তাকে পিএম হারুন অর রশিদের কক্ষে ডাকা হয়। এক পর্যায়ে কক্ষের দরজা বন্ধ করে হারুন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় হনুফা সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে ওই কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করে। পরেরদিন শনিবার কারখানা কয়েকজন সহ-কর্মী নারী শ্রমিককে বিষয়টি জানালে পূর্বে ধর্ষণের শিকার আরেক নারী শ্রমিক কারখানার কর্তৃপক্ষকে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়।

এসময় মালিকপক্ষ ধর্ষিতাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে ওই ধর্ষক কর্মকর্তাকে কারখানা থেকে বহিস্কার করে জরিমানা হিসাবে তার ২ মাসের বকেয়া বেতন প্রায় লাখ টাকা তাদেরকে প্রদান করা হবে। কিন্তু এ বিষয়টি যেন ধর্ষিতারা থানা পুলিশসহ কোন মাধ্যমকে না জানানোর শর্তে। অন্যথায় টাকাতো পাবেই না তাদেরকেও কারখানা থেকে বহিষ্কার করার হুমকি দেয়া হয়।

কারখানাটির অপর ধর্ষিতা অপারেটর কুমারী নারী শ্রমিক জানান, গত ১০ রমজান তাকে রাত সাড়ে ৮টায় পিএম হারুন তার কক্ষে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে তাকে চা বানাতে বলে। একপর্যায়ে হারুন তাকে জোর করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে পিএম হারুন তাকে হুঁশিয়ার করে এ ঘটনা অন্য কারো কাছে বললে তাকে কারখানা থেকে চাকুরিচ্যুত করা হবে। এ কারণে সে বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করেনি। এরপর নিয়মিত তাকে ডেকে নিয়ে এভাবে ধর্ষণ করে। বর্তমানে সে ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানায়। বিষয়টি তার মা ও তার বান্ধবীদের জানায়। এ কথা বাড়ির মালিক সবুর শুনে ওই ধর্ষিতা মেয়েটিকে মারধর করে। সে বর্তমানে লোকচক্ষুর অন্তরালে ধুকরে ধুকরে দিনাতিপাত করছে। এভাবে ওই কারখানায় কর্মরত আরো ৩ নারী শ্রমিককে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করে হারুন। এ ঘটনায় কারখানাটিতে কর্মরত নারীরা তাদের কর্মস্থলের আতঙ্কের আছে অপরদিকে কারখানাটিতে একাধিক নারী শ্রমিককে ধর্ষণের ঘটনায় শ্রমিকরা ফুঁসে উঠেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারখানাটির এইচআরএম এডমিন ঝোটন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর থেকে পিএম হারুন কারখানাটিতে আসছে না। সে পলাতক রয়েছে। তবে কারখানায় তার পাওনাদি রয়েছে। সে টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগিদের দেয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

তিনি আরো জানান পিএম হারুন অর রশিদ নোয়াখালী জেলার বসুরহাট এলাকার বাসিন্দা। সে আশুলিয়ার বাইপাইল এসএ পরিবহণের পিছনে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকে। শিল্প পুলিশ এএসআই মেজবাহউদ্দিন কারখানায় এসেছিলেন। পিএম হারুনের নাম ঠিকানা ও ছবি চাইলে সেগুলো তাকে সরবরাহ করেছি।

এ সম্পর্কে শিল্প পুলিশ-১ এর এএসআই ইন্টেলিজেন্স মেজবাহউদ্দিনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে, তাকে পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি শিল্প পুলিশ অবহিত বলে শিল্প পুলিশের একটি সূত্র জানায়।

এছাড়া এ সংক্রান্ত বিষয় থানা পুলিশের কাছে ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করলে তাদের দেখার বিষয় বলে জানান। তবে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল জানান, এ ধর্ষণ সম্পর্কে কোন তথ্য তার কাছে নেই। তিনি প্রথম এ প্রতিবেদকের কাছে ঘটনাটি শুনেছেন বলে জানান। সূত্রঃ অনলাইন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad